হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে স্বাগতম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে অনুদান প্রদানের জন্য দানশীল সকলের নিকট আহ্বান জানিয়েছেন।”করোনা” প্রতিরোধে ধর্মসভা বা ধর্মীয় জনসমাগম না করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের তিন বছর মেয়াদী নতুন ট্রাস্টিবোর্ড ১৪/০১/২০২০ তারিখে গঠন করা হয়েছে।   ট্রাস্টের সকল তথ্য জানতে ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেইজ দেখুন্ সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে/বিদেশে তীর্থ  করতে ওয়েবসাইট হতে ফরম ডাউনলোড করে আবেদন করুন  ট্রাস্ট হতে অনুদান গ্রহণে কোন অর্থ/ফি দিতে হয় না    সরকারের রাজস্ব বাজেটের আওতায় ২২৮.৬৯ কোটি টাকায় সমগ্র দেশে সনাতন ধর্মালম্বীদের জন্য ১৮১২ টি মন্দির সংস্কার কার্যক্রম চলছে।  ৯.৯২৪৫ কোটি টাকায় চট্টগ্রামসহ ৪টি জেলায় ১৪০টি; ৩.৫৮৬২ কোটি টাকায় হবিগঞ্জ জেলার ৪৮টি মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কার ৩১.১২.২০১৯ সমাপ্ত হয়েছে। রাজস্ব বাজেটে ৯.৭৫৬৫ কোটি টাকায় শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির ও শ্রীশ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির  উন্নয়ন ও সংস্কার প্রকল্পগুলো বর্তমানে  হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।    দুঃস্থ হিন্দু ও মন্দিরে সহায়তা গ্রহণ, মন্দিরের নাম নিবন্ধন এবং দেবোত্তর সম্পত্তি তালিকাভুক্ত করতে নির্ধারিত ফরম www.hindutrust.gov.bd ওয়েব সাইট হতে ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় তথ্য সহ আবেদন করুন। করোনায় মৃত হিন্দুদের সৎকার করতে অসুবিধা হলে ০১৫৫৬৪৬৪৯৮৯ বা ০১৭১৬৫০২১৫৯ নম্বরে ফোন করুন

মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১১ August ২০১৯

সমগ্র দেশে সনাতন ধর্শাবলম্বীদের মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সংস্কার

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয়ঃ ধর্ম  বিষয়ক মন্ত্রণালয়

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট

প্রকল্প পরিচালকঃ রনজিৎ কুমার, যুগ্ম সচিব

 প্রকল্প শুরুর তারিখঃ ১ মার্চ, ২০১৯

প্রকল্প শেষ করার তারিখঃ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১

প্রাক্কলিত ব্যয়ঃ ২২৮,৬৯,০০,০০০ টাকা

অর্থায়নের ধরণঃ জিওবি

প্রকল্প ব্যবস্থাপনাঃ

১. প্রকল্পটি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হবে।

২. প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সংস্থা পর্যায়ে একটি প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিট এবং সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে সহায়তার জন্য একটি পরামর্শক           প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ করা  হবে।

৩. তাছাড়া মন্দির, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে।

৪. প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ই্উনিটে প্রয়োজনীয় কারিগরি জনবল প্রেষণ/সরাসরি / আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ করা হবে।

৫. প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউনিটে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলীগণ দরপত্র আহ্বান করবেন।

৬. ঠিকাদারদের বিল পরামর্শকের সুপারিশক্রমে প্রকল্প পরিচালকের দপ্তর থেকে সরাসরি ঠিকাদারগণের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হবে।

৭. স্থানীয় কোন সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা প্রকৌশলীর সহায়তা গ্রহণ করা হবে।


Share with :

Facebook Facebook