হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সকল তথ্য জানতে ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেইজ দেখুন  হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদান গ্রহণে কোন অর্থ দিতে হয় না  সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ২২৮.৬৯ কোটি টাকায় সমগ্র দেশে সনাতন ধর্মালম্বীদের জন্য ১৮১২ টি;  ৯.৯২৪৫ কোটি টাকায় চট্টগ্রামসহ ৪টি জেলায় ১৪০টি; ৩.৫৮৬২ কোটি টাকায় হবিগঞ্জ জেলার ৪৮টি মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং ৯.৭৫৬৫ কোটি টাকায় শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির ও শ্রীশ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির  উন্নয়ন ও সংস্কার প্রকল্পগুলো বর্তমানে  হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছেদুঃস্থ হিন্দু ও মন্দিরে সহায়তা গ্রহণ, মন্দিরের নাম নিবন্ধন এবং দেবোত্তর সম্পত্তি তালিকাভুক্ত করতে নির্ধারিত ফরম www.hindutrust.gov.bd ওয়েব সাইট হতে ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় তথ্য সহ আবেদন করুন 

মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

মহান বিজয় দিবস ২০১৭ উদযাপন


প্রকাশন তারিখ : 2017-12-16

মহান বিজয় দিবস ২০১৭ উপলক্ষ্যে শনিবার সকাল ১১.০০ ঘটিকায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ট্রাস্ট কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক আলোচনা ও প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি অধ্যাপক শ্রী নিরঞ্জন অধিকারী -এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা ও প্রার্থনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি শ্রী শ্যামল ভট্টাচার্য্য, জাতীয় হিন্দু সংস্কার সমিতির সভাপতি শ্রী হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন হিন্দুধর্মীয় কলাণ ট্রাস্টের সম্মানিত সচিব, শ্রী রঞ্জিত কুমার দাস। আরো বক্তব্য রাখেন শ্রী নারায়ন চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি, শ্রী অতুল চন্দ্র মন্ডল, সভাপতি-শ্রীশ্রী হরি মন্দির, মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের সহকারী পরিচালক জনাব আসমা খাতুন এবং শিক্ষক শ্রীমতি বিন্দা রানী রাজবংশী। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের উপ পরিচালক (অঃ দাঃ) শ্রীমতি কাকলী রানী মজুমদার। অনুষ্ঠানে প্রার্থনা পরিচালনা করেন হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ফিল্ড অফিসার শ্রী প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস। উপস্থিত আলোচকবৃন্দ মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং অসাম্প্রদায়িক ও শোষনমুক্ত সুখি-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার  লক্ষ্যে একত্রিত হয়ে শপথ নেবার আহবান জানান।

 

প্রার্থনা সভায় ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। এছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। দেশের সুখ, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা জানানো হয়। 


Share with :

Facebook Facebook